ঢাকা থেকে কক্সবাজার, ময়মনসিংহ থেকে চট্টগ্রাম — সারা দেশের খেলোয়াড়রা কীভাবে Cbaazi-তে তাদের কৌশল তৈরি করলেন এবং ভালো ফল পেলেন।
আমি আসলে খুব বড় আশা নিয়ে খেলতে বসিনি। পহেলা বৈশাখের উৎসব বোনাস দেখে মাত্র ৫০০ টাকা ডিপোজিট করেছিলাম। Cbaazi-র ক্রিকেট বেটিং সেকশনে বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা ম্যাচে কিছু কম্বিনেশন বেট রেখেছিলাম। ম্যাচ শেষে দেখি ওয়ালেটে ৮৫ হাজার টাকা। মাথায় আসছিল না।
বিভিন্ন শহর ও বিভিন্ন ধরনের গেম থেকে নির্বাচিত গল্প
ক্রিকেট
কক্সবাজার
সাইফুল একজন মৎস্যজীবী। অফ-সিজনে আয় কম থাকে। Cbaazi-তে ক্রিকেট অ্যানালিটিক্স ফলো করে আইপিএলে পিচ রিপোর্ট বুঝে বেট করতেন। টানা সাত ম্যাচ ঠিকঠাক ধরেছিলেন।
জ্যাকপট
ময়মনসিংহ
নাসরিন গৃহিণী। বাড়তি আয়ের চেষ্টায় Cbaazi-র জ্যাকপট সেকশনে ৫০ টাকার একটি টিকিট কেটেছিলেন। মিনি জ্যাকপটে ১২,০০০ টাকা জিতে পরিবারের মাসের বাজার করেছেন।
কার্ড গেম
ঢাকা
কামরুজ্জামান একজন ছোট ব্যবসায়ী। রাতের অবসরে Cbaazi-তে টিন পাট্টি খেলেন। ধৈর্য ধরে ছোট বেট থেকে শুরু করে তিন মাসে একটি নিজস্ব কৌশল তৈরি করেছেন।
আরিফ ইউরোপিয়ান ফুটবলের বড় ভক্ত। Cbaazi-তে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের চারটি ম্যাচে অ্যাকুমুলেটর বেট রেখেছিলেন। চারটিই ঠিক হয়েছিল।
হাফিজুর সফটওয়্যার ডেভেলপার। ডেটা অ্যানালিসিস করে ক্রিকেট বেট করেন। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একটি ম্যাচে লাইভ বেটিংয়ে মাঝপথে কৌশল বদলে বড় জয় পেয়েছিলেন।
মাহমুদুল কৃষিজমির মালিক। Cbaazi-তে নিয়মিত ছোট ছোট বেট করতেন। একদিন মেগা জ্যাকপটে ৩ লাখ টাকা জিতে আম বাগানে নতুন বিনিয়োগ করেছেন।
ময়মনসিংহের তারেক কীভাবে ধাপে ধাপে সাফল্য পেলেন
তারেক আহমেদ ময়মনসিংহের একজন স্কুলশিক্ষক। মাসের বেতন ২০ হাজার টাকার মতো। পরিবারের জন্য বাড়তি আয়ের কথা ভাবছিলেন। তার এক বন্ধু Cbaazi-র কথা বললেন। শুরুতে একটু ইতস্তত করেছিলেন, কিন্তু সাইটটা ঘেঁটে দেখলেন এবং সিদ্ধান্ত নিলেন ছোট করে শুরু করবেন।
তারেকের কৌশল ছিল সহজ — প্রতি সপ্তাহে মাত্র ৫০০ টাকার বেশি বেট নয়। ক্রিকেটই পছন্দের বিষয় কারণ খেলার নিয়মকানুন ভালো জানেন। পিচ রিপোর্ট, দলের ফর্ম ও মাঠের কন্ডিশন দেখে বেট করতেন।
Cbaazi-তে পরিসংখ্যান সেকশন দেখে দলগুলোর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করতেন। বড় অডসের পিছনে না ছুটে মাঝারি অডসে নির্ভরযোগ্য বেট করতেন। এই পদ্ধতিতে ছয় মাসে তিনি মোট ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা জিতেছেন।
বিকাশে ৫০০ টাকা ডিপোজিট, স্বাগত বোনাস পেলেন ২৫০ টাকা। প্রথম সপ্তাহে দুটি বেট করে ৩৮০ টাকা জয়।
বিপিএলে নিজের পছন্দের দলগুলো নিয়ে গবেষণা করে সাত ম্যাচে পাঁচটি সঠিক পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজে কম্বিনেশন বেটে এক সপ্তাহে ১৮,৫০০ টাকা জিতলেন।
একটি ম্যাচে বড় লসের পর কৌশল ঠিক করলেন। বাজেট নিয়মিতকরণ ও লাইভ বেটে বেশি মনোযোগ দিলেন।
বিশ্বকাপে ধারাবাহিকভাবে ভালো করলেন। দুই মাসে মোট ৫৩ হাজার টাকা জয়। Cbaazi-র VIP টায়ারে উঠলেন।
মোট বিনিয়োগ ১৮,০০০ টাকা, মোট জয় ১,১৪,০০০ টাকা। একটি মোটরসাইকেল কিনলেন।
সারা বাংলাদেশ থেকে আসা রিভিউ
Cbaazi-তে প্রথমদিকে একটু ভয় ছিল। কিন্তু টাকা জেতার পর বিকাশে তিন মিনিটে চলে আসল। এরপর থেকে নিয়মিত।
আমি ফুটবল নিয়ে অনেক পড়াশোনা করি। Cbaazi-তে সেই জ্ঞান কাজে লাগাতে পারছি। অডস ভালো, পেমেন্ট দ্রুত।
রমজান মাসে বিশেষ বোনাস পেয়েছিলাম। সেটা দিয়ে শুরু করে ভালোই করেছি। Cbaazi সত্যিই বাংলাদেশের জন্য তৈরি।
লাইভ বেটিং ফিচারটা দারুণ। ম্যাচ চলার মধ্যে পরিস্থিতি বুঝে বেট করা যায়। Cbaazi-তে এটা খুব সহজ।
মোবাইলে ব্যবহার করতে খুব সুবিধা। পেজ দ্রুত লোড হয়, ইন্টারফেস সহজ। নগদে টাকা তুলতে পাঁচ মিনিটও লাগেনি।
জ্যাকপট সেকশনে নিয়মিত যাই। ছোট টিকিটেও মাঝে মাঝে ভালো পুরস্কার আসে। Cbaazi-র উপর আস্থা আছে।
সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে, এটা সবচেয়ে ভালো লাগে। কোনো সমস্যা হলে চ্যাটে বললেই কয়েক মিনিটে সমাধান হয়।